নামিয়ে মাথা মৌন থাকি ,চাই কী আমার শুধাস যখন,
উপহারেও মন ওঠে না , এমন কী হয় সত্যি এখন !
ভাবিস আরো অনেক কিছু , ভাবিস তোকে দিচ্ছি ফাঁকি ,
নয়তো কেন ইচ্ছা নিজের , যত্ন করে লুকিয়ে রাখি !
যখন ভাবি বলবো কথা , কাজের ভিড়ে ব্যস্ত থাকিস ,
চিঠির ভাঁজে দিলাম রেখে , ইচ্ছা জমাট মনের হদিস ।
সিগারেটের ধোঁয়ার খেয়াল , হারাস চেনা পথের মোড় ,
ইচ্ছা আমার, বৃষ্টি হঠাৎ , নেভাক আগুন , কাটাক ঘোর !
ভয়ের লাগাম চাই না দিতে, স্বাধীন চেতা হৃদয় টাকে ,
তবুও বলি মৃত্যুর চেয়ে ,বাঁচার নেশাই মানায় তোকে !
বইয়ের স্তূপে বুঁদ হয়ে তুই , ভুলিস যখন জগৎ বাকি ,
দমকা হাওয়ায় উড়ুক পাতা , মনে প্রাণে চাইতে থাকি ।
চশমা ভাঙুক , মেঝের উপর কলম সারির লুটোপুটি ,
তখন শুধুই গল্প হবে ,ঝড় হলে তো পড়ার ছুটি ।
মনখারাপের চোখের জলে , সাধের কাজল নষ্ট হলে ,
হারিয়ে যাওয়ার মন্ত্র বলে ,লুকোতে চাই তোর আড়ালে !
মনভোলানো জাদুর কাঠি ,রাজপুত্রের সাদা ঘোড়া ,
মিথ্যে যখন রূপকথারা , জীবন শুধু ই তোকে ঘেরা ।
দামী শাড়ি , গয়না পড়ে ,তোর সামনে দাড়াই আমি ,
“ভালোই তো বেশ “, বলেই আবার বইতে হারাস সবটুখানি ,
ইচ্ছা পূরণ হঠাৎ হল , খোলা চুলে স্নানের পরে ,
মুগ্দ্ধ চোখে দেখলি আমায় , সেদিন যখন পুজোর ঘরে ।
ভবিষ্যতের ভাবনা টানে , অনিশ্চিতেই চিঠির ইতি ,
হ্যাঁচকা টানে ছোটোবেলা , চিন্তাবিহীন দিনের স্মৃতি ।
শান্তি ঘেরা রাত্রি গুলো , নির্ঝঞ্ঝাট বিকেল আমার,
ইচ্ছা ভীষণ, দায়িত্ব শেষে,তোর ই সাথে খুঁজবো আবার।