iPhone vs ভালবাসা

Leave a comment আদর্শ পোস্ট ফরম্যাট

ফোনের অ্যালার্ম এর শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেল রিয়ার। Snooze বোতাম এ চাপ দিয়ে আধখোলা চোখে বিছানার সোজাসুজি জানলার দিকে তাকালো সে। তার এপার্টমেন্ট টা একদম সাধারণ হলেও বেডরুমের বিছানায় শুয়ে অনেকখানি আকাশ দেখা যায় , কি যে ভালো লাগে তার সকালের এই অল্প সময় টুকু ! আলসেমি ভরা আধখোলা চোখে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে রিয়া ,আজ আকাশ টা বেশ পরিষ্কার গত কদিনের চেয়ে। এয়ারপোর্ট এর খুব কাছেই তার এপার্টমেন্ট ,তাই নিরন্তর প্লেন এর আনাগোনা তার এই একফালি আকাশে ! এতদিন পরেও প্লেন র শব্দে একটুও বিরক্ত হয় না রিয়া , জানলা দিয়ে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকে যতক্ষণ অব্দি প্লেন র back wings এর শেষ বিন্দুটা পর্যন্ত চোখে ধরা পরে! ছোটবেলায় ছাদে দৌড়ে গিয়ে প্লেন দেখার সেই অদম্য রোমাঞ্চময় স্মৃতিকে তার এই এপার্টমেন্টর জানলা আজও জীবন্ত করে রেখেছে !

এলার্ম র আবার শব্দে বিছানায় উঠে বসলো রিয়া , ফোন টা হাতে নিয়ে অ্যালার্ম বন্ধ করে পাশে রাখতেই Door Bell টা বেজে উঠলো,দরজা খুলে দেখল একটা fedex এর পার্সেল পরে আছে দরজার সামনে |

রিয়া পার্সেল টা উঠিয়ে নিয়ে নিজের মনেই বলে উঠলো , “এখন কে পার্সেল পাঠাল ? জন্মদিন তো অনেক দেরী আর recently কিছু অনলাইন শপিংও তো করিনি।”  তাড়াতাড়ি প্যাকেট টা খুলে ফেলে যা দেখল , তা ওর মত short tempered মেয়ের রাগের পারদ মাত্রাহীন করতে যথেষ্ঠ। একটা iphoner বাক্স আর একটা কয়েক লাইনের চিঠি:

” রিয়া ,

আমার জন্মদিনের সকালে  তোর শব্দে “এই ছোট Gift ” তোর শুভেচ্ছা নিয়ে ঠিক সময়ে পৌঁছে  গিয়েছিল আমার ঠিকানায়। তুই বলেই কোনো সঙ্কোচ না করে বলতে পারি , তোর এই ছোট গিফ্ট র উজ্জল রং , over sized আয়তন , একগুচ্ছ জোর করে necessary করে দেওয়া application , oversensitive touch screen , আমার অতি সাধারণ পকেটে মানাবে না রে ! সবসময়ের অসাবধানী , ঝুট ঝামেলাহীন ছাপোষা আমি যে এই গুরু দায়িত্ব বহন করতে অক্ষম , সে আর কেউ না হলেও আমাকে ছোট থেকে চেনা মেয়েটার বোঝা উচিত ছিল ! যাইহোক ,বলাই বাহুল্য তোর এই ছোট গিফট একেবারে নিরাপরাধ । মুহুর্তের সিদ্ধ্বান্তে অবিচার করে ফেলিস না অসংখ্য মানুষের এই ছোট গিফট একবার পাবার আকাঙ্খার ওপর ! যদি এর পর ও কখনো কিছু আমাকে দেওয়া র কথা ভাবিস ,এমন কিছু দিস যা আমার সত্যি দরকার ,যা ছাড়া আমার এক মুহূর্ত চলবে না !

খুব ভালো থাকিস !
কৌশিক ”

রিয়া প্রচন্ড রাগে অভিমানে বিছানার বালিশ টা র উপর মুখ রেখে শুয়ে পড়ল ,তার চোখের জল ভিজিয়ে দিতে থাকলো হাতে মুঠ করে ধরা চিঠি টা কে !

কৌশিক রিয়ার ছোটবেলার স্কুল র বন্ধু ! এখন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিকাল ইনস্টিটিউটের ছাত্র! কৌশিকের  সাথে  শেষ বার দেখা হয়েছিল এক  বছর আগে , তার পনেরো দিন পর কলকাতা থেকে সিঙ্গাপুর রওনা দিয়েছিল রিয়া ! কলেজ পাশ করার পরেই নাম করা multinational কোম্পানি তে নতুন চাকরি ,মুহুর্তে রিয়ার থেকে কেড়ে নিয়েছিল তার নিজের সবকিছু । কৌশিককে যে সে কবে থেকে ভালবাসে তা ঠিক জানে না রিয়া , কিন্তু এইটুকু জানে , একবছরের ব্যবধান , নতুন শহরের ব্যস্ততা , অফিস এ চেনা অচেনা বন্ধুদের সাথে আড্ডা , নিত্যনতুন বিনোদন , কোনকিছুই রিয়ার মন থেকে মুছে দিতে পারেনি ছোট থেকে চেনা ওই বাড়ির পাশের ছেলেটাকে ! এরকম একগুয়ে , জেদী , অনুভূতিহীন  একটা ছেলেকে কেন যে সব উজার করে ভালবাসে রিয়া , কতদিন কতভাবে সেই প্রশ্ন নিজেকেই বারবার করেছে সে । সবার থেকে আলাদা ,ব ই নিয়ে বসে থাকা ছেলেটার দিকে সেই তো প্রথম বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। বন্ধ লাইব্রেরির মত কৌশিকের একাকিত্বের জগতে প্রায় জোর করেই ঢুকে পরেছিল সে !

একদিন স্কুলে রিয়ার এলোমেলো করে করা বইয়ের মলাট খুলে কৌশিক যখন নিপুন হাতে নতুন করে পরিয়ে দিয়েছিল আর কারণ জিজ্ঞাসা করাতে বলেছিল,  “তোকে যদি বিশ্রী ভাবে জামা পরিয়ে দেওয়া হয়,তোর মনখারাপ হবে না ? ”

সেই সেদিন থেকেই কৌশিক তার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু। রিয়ার অবান্তর বকবক মন দিয়ে শোনার ধৈর্য্য একমাত্র সেই রাখত! কৌশিক কোনদিন মুখে বলেনি রিয়াকে যে ওকে ও ভালবাসে , কিন্তু রিয়ার থেকে ভালো করে তাকে তো আর কেউ চেনে না , সেই চেনাই বারবার রিয়ার কানে কানে বলেছে “তুই আর গন্ডাখানেক বইছাড়া আর কিছুই নেই সে ছেলের অধিকারে! ” সেই জন্যেই তো রিয়া চাকরির এপয়েন্টমেন্ট লেটার পাওয়ার পর কিছু বলতে পারেনি কৌশিক কে ,কিছুতেই বুঝতে পারছিল না কিভাবে সব ছেড়ে চলে যাবে সে অত দূরে ! কৌশিকের কথাতেই অভিজ্ঞতার জন্য ইন্টারভিউ দিতে রাজি হয়েছিল সে ,তার নিজের ওপর অত বিশ্বাস ছিল না যতটা কৌশিকের ছিল ওর উপর !

এই দোটানার মধ্যে নিজের সব শক্তি দিয়ে যখন সাহস জোগার করছে রিয়া , একদিন সন্ধ্যায় কৌশিকের হঠাৎ ফোন, ” কাকিমার সাথে দেখা হয়েছিল রাস্তায়,তোর চাকরির খবর টা শুনলাম ! আর তো ৭ দিন বাকি মাত্র ,নতুন শহরে ব্যস্ত জীবন ,ভয় পাস না একদম , আমি জানি তুই ঠিক পারবি ,আমি সবসময় জানতাম! যাইহোক রাখি রে ,একটু বেরোতে হবে ,খুব ভালো থাকিস রিয়া !”

রিয়া অনেক চেষ্টা করেও আর কিছু বলতে পারেনি সেদিন | কৌশিক কে সে যতটুকু চেনে ,সে জানত আর কিছু বলে কোনো লাভ ও ছিল না! আসার দিন এয়ারপোর্ট এ অনেকক্ষন অপেক্ষা করে ছিল সে ,কিন্তু কৌশিক আসেনি ! এই একবছরে লেখা রিয়ার অগনিত ইমেইলের কোনো উত্তর দেয়নি কৌশিক ! এতদিনেও কি তার অভিমান একটুও কমেনি ? তার ভালবাসার কি কোনো দাম নেই কৌশিকের কাছে ? থাকলে একবার ও কি এতদিনে সে খোঁজ  নিত না রিয়ার ? রাতের পর রাত কৌশিকের নম্বর ডায়াল করেও মুছে দিয়েছে রিয়া , তার ভালবাসা কি ফেলনা নাকি ? সেই বা কেন হাত পাতবে বারবার? কৌশিকের জন্মদিনের গিফট রিয়া হঠাৎ করে কেনেনি ,অনেক দিন ভেবেও সে যখন কিছুই খুঁজে পাচ্ছিল না এই সিঙ্গাপুর শহরের বিভিন্ন শপিং মল এ ঘুরে ঘুরে ,তখন একদিন তার অফিসের  বন্ধু বরুন , নতুন কেনা iphone এর অভিনব বৈশিষ্ট  দেখাচ্ছিল ক্যান্টিনে বসে ,আর সেই মুহুর্তে রিয়া ভেবে নিয়েছিল ঠিক এই মোবাইল ই কিনে দেবে সে কৌশিক কে জন্মদিনে ! এতদিনে পরে সে রিয়াকে আর ভুল বুঝে থাকতে পারবে না ,সব ঠিক হয়ে যাবে আবার , ঠিক আগের মতন ! নিজের বোকামির কথা ভেবে বালিশ চেপে গুঁমড়ে কেঁদে  উঠলো রিয়া , না না এ কিছুতেই হয় না! কিছুতেই মুখ বুজে মেনে নেবে না সে ভালবাসার এই চরম অপমান ,তার কৈফিয়ত চাই ! সবকিছু শেষ করে দেওয়ার আগে একবার দেখা করতেই হবে তাকে কৌশিকের সাথে! কোনো দোষ না করা সত্তেও নিজের আত্বসম্মান জলান্জ্বলি দিয়ে করা রিয়ার এই শেষ চেষ্টার উত্তরে এভাবে তাকে কেন অপমান করলো কৌশিক ,তাকে জানতেই হবে !

অফিসে বলে ৭ দিনের ছুটি নিয়ে নিল রিয়া , ছুটি মঞ্জুর  হতেই book করে ফেলল প্লেনের টিকিট | এয়ারপোর্ট এ বাড়ির সবাইকে এতদিন পরে দেখে কিছুক্ষণের জন্য হলেও শান্ত হলো তার অস্থির মন ! বাড়িতে ঢোকার আগে কৌশিকদের বাড়ির দিকে তাকালো রিয়া,রাস্তার দিকের ঘরেই থাকে কৌশিক , ঘরের জানলা টা বন্ধ !

মনে মনে বলল ” সারাদিন শুধু আলো বাতাস হীন অন্ধকার ঘরে বই নিয়ে বসে থাকা !”

রিয়া তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া সেরে মা কে বলল “আমাকে একটু বেরোতে হবে এখনি ,দরকার আছে,তাড়াতাড়ি চলে আসব , চিন্তা কোরো না !”

মায়ের  উত্তরের অপেক্ষা না করেই বেড়িয়ে পড়ল রিয়া ! নিজের অস্থিরতাকে আর সামলাতে পারছেনা সে ! কৌশিকের বাড়িতে কড়া নাড়তেই যমুনা মাসি দরজা খুলে দিল | যমুনা মাসি  অনেক বছর থেকে কৌশিকদের বাড়িতে কাজ করে ,রিয়া আর কৌশিক কে তোযমুনা মাসি  ই বাস স্ট্যান্ড এ পৌছে দিত স্কুলে যাওয়ার সময় !

যমুনা মাসি একগাল হেসে বলল  ” আরে রিয়া দিদিমনি যে ! বাব্বা ,কতদিন বাদে দেখলাম তোমাকে ,ছুটিতে বাড়ি এসেছ বুঝি ? ”

(রিয়া হেসে বলল)  “হ্যাঁ  ,আজি এলাম ,কৌশিক আছে গো বাড়িতে ?”

(যমুনা মাসি)  : দাদাবাবু উপরের ঘরে পড়াশোনা করছে |

রিয়া দৌড়ে উঠে গেল সিড়ি দিয়ে উপরের ঘরের দিকে ! কৌশিকের ঘরের দরজাটা ভেজানো |

(রিয়া দরজার বাইরে থেকে আওয়াজ করে বলল) “আসব ? ”

কৌশিক টেবিলে  বসে পিছনে না তাকিয়েই বলল  ” বাহ ! বিদেশে গিয়ে খুব আদব কায়দা  শিখেছিস দেখছি! এক বছর আগে তো আমি ঘুমিয়ে থাকলেও ,দরজা ভেঙ্গে হলেও ঢুকে পরতিস !”

রিয়ার রাগ মাত্রা ছাড়িয়ে গেল , টেবিলের দিকে এগিয়ে গিয়ে ,দুহাতে কৌশিকের জামা ধরে টেনে বলল ,” তুই ভেবেছিস কি ? যখন খুশি যেভাবে খুশি আমাকে অপমান করবি ? আমার গিফট ফেরৎ দিয়ে, ওই অসভ্যের মত চিঠি লিখেও তোর গায়ের জ্বালা জুরায়নি ? এখন তোর বাড়িতে এসেছি বলেও বিদ্রুপ করবি ? আমার দোষের মধ্যে কি !  না চাকরি পাবার পর এত কষ্ট হচ্ছিল সব ছেড়ে চলে যাওয়ার চিন্তায় , বুঝতে পারিনি কিভাবে তোকে এসে বলব যে আমি এটা কোনদিন চাইনি ,আমি পারব না সব ছেড়ে থাকতে ,আমাকে কিছুতেই তুই যেতে দিস না! কিন্তু পরে জানলাম , তুই আমার মা বাবাকে বুঝিয়েছিস এসুযোগ সবাই পায় না ,ছেড়ে দেওয়া বোকামি হবে | আমি জেদ করেই চলে গেছিলাম তখন , কেন বার বার তোর কাছে হাত পাতব বলতে পারিস !”

(বলতে বলতে রিয়ার চোখ ভিজে উঠলো !) ( কৌশিক রিয়ার দিকে না তাকিয়েই বলল ) ” ভুল কি বলেছি ? মাস্টার্স  তো তুই করতিস না ,চাকরি ই যখন করবি তখন ভালো চাকরি পেয়ে ছেড়ে দেওয়ার মানে কি ? যে তোর resume বানানো থেকে ,ইন্টারভিউ এর ফর্ম পর্যন্ত ভরে দিয়েছিল ,সেই ছেলেটা সুখবর শুনল তুই বিদেশ পারি দেবার মাত্র ৭ দিন আগে আর তাও আবার অন্য কারো কাছে | এর আগে পর্যন্ত তো কোনো কষ্ট আলাদা ছিল না রিয়া ! সেদিন কেন হয়ে গেল শুধু তোর একার ? আর আমার কাছে হাত তো তুই পাতিস নি কখনো , বরঞ্চ আমাকে ৫০০০০ টাকার মোবাইল ফোন গিফট করেছিস আমার একবছরের রাতজাগা কষ্টের মুল্য স্বরূপ| ফোন করে ‘শুভ জন্মদিন’ বলা কি কোনভাবেই সম্ভব ছিল না তোর পক্ষে ? !”

(রিয়া কান্না ভেজা গলায় বলে উঠলো) ” ফোন কাকে করব ? দিনের পর দিন যে আমার ইমেইলের  উত্তর দেয় না তাকে ? আমাকে কি তোর পাগল মনে হয় ?”

(কৌশিক এবার রিয়ার দিকে তাকালো ,তারপর হেসে বলল) “তুই সত্যি পাগল রিয়া ! তোকে ইন্টারভিউ প্রিপারেশন এর সময় যে খাতা টা দিয়েছিলাম ,তার শেষের পাতায় তুই নিজেই লিখে দিয়েছিলিস আমার ইমেইল এর পাসওয়ার্ড ,আমি কিছুতেই মনে রাখতে পারি না তাই , সেই খাতাটা এখনো তোর কাছেই আছে যদি না ফেলে দিয়ে থাকিস ,হ্যাঁ এটা বলতে পারিস নিজের দরকারে আমিও তোর কাছে হাত পাতিনি ! আমার নতুন ইমেইল id এর পাসওয়ার্ড এ তোর নাম যা ভোলার উপায় আমার জানা নেই!”

রিয়া আর কোনো কথা বলতে পারছে না ,কান্নায় দুহাতে মুখ ঢেকে বিছানায় বসে পরেছে সে !

কৌশিক তার পাশে বসে হেসে বলল,  “যে সে মোবাইল পছন্দ করিসনি তুই আমার জন্য, নিজের মূল্য উসুল করিয়ে ছাড়লএ কদম |সেদিন কাকিমার মুখে শুনে ,তোর হঠাৎ আসার কারণ বুঝতে আমার একটুও অসুবিধা হয়নি ! এভাবে কলার  ধরে কৈফিয়ত নেওয়ার জন্যই তো তোর এই ঝটিকা সফর ,কিরে তাই না ?”

রিয়া চোখ মুছে পার্স থেকে iphoner বাক্স টা টেবিল এ রেখে বলল ,”এখানে পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখা যায়  ,আর তোর mathematics ক্যালকুলেশন এর জন্য আমি কিছু application installed করে দিয়েছি।”

কৌশিক (শুধু বলল ) ,”জানি ,দেখেছিলাম তখনি !”

রিয়া (বলল ) ” তুই তো সবই জানিস ,শুধু .. ”

(তাকে শেষ করতে না দিয়েই কৌশিক বলল )” না ! তা কেন? কত কিছুই তো জানি না ,আবার কত কিছুই নতুন করে জানতে পারি , এই যেমন আজকে জানলাম তুই আমাকে ..”

রিয়া লজ্জায় পিছনে ঘুরে মুখ নামিয়ে ফেলল ,কৌশিক সেটা লক্ষ্য করে হেসে বলল,  ” ওই জানলাম ,তুই আমাকে ভুলে গেলেও ,আমার ম্যাথমেটিক্স ক্যালকুলেশন এর প্রয়োজন টা ভুলিস নি |”

রিয়া এবার হেসে টেবিল এর iphone টা হাতে নিয়ে বলল ” একদম ঠিক। তোর চিঠির কথা মত যদি বলি তাহলে এটা ই এমন জিনিস যা তোর সত্যি দরকার ,যা ছাড়া তোর এক মুহূর্ত চলবে না ! তাই তো ? নাকি আরো কিছু আছে যার প্রয়োজন এর থেকেও বেশি ?”

মিটিমিটি হেসে কৌশিকের দিকে তাকালো রিয়া , উত্তরে কৌশিক রিয়ার খুব কাছে এসে বলল ” তা আছে বৈকি , আর সেটা হলো আমার নতুন ইমেইল এর Password “!