রীনা : তুমি কি বিয়ের আগে কাউকে ভালোবেসেছো ?
অমল : না ! আর তুমি ?
রীনা : না।
কিছুক্ষণ পরে রীনা তার কাপড়ের বাক্সে সবচেয়ে তলার শাড়ির ভাজে রাখা চিঠি গুলোর উপর হাত দিয়ে মনে মনে বলল : আর সকলের মত আমিও চেষ্টা করব বাকি জীবনটা এই নতুন সংসার আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে কিন্তু আমার কাছে ভালবাসার মানে চিরকাল এই পুরোনো কাগজের টুকরো গুলোই থাকবে। এই সত্যি যে কাউকে বলার নয় , আমার অন্তরের মেয়েটা ছাড়া তো এ আর কেউ বুঝবে না।
রীনাকে চায়ের কাপ হাতে নিয়ে ঘরে ঢুকতে দেখে ঝাপসা চোখে জানলার বাইরে তাকিয়ে থাকা অমল একটা পুরনো রঙ ওঠা ছবি সযত্নে মানি ব্যাগের ভিতর ঢুকিয়ে রাখল।
রীনা : তোমার চোখে কি জল ?
অমল (চশমা টা পরে নিয়ে অল্প হেসে ) : কই না তো। ওই চশমাটা খুললেই অসুবিধা, চোখের পাওয়ার টা বদলাতে হবে, এবার একটা ডাক্তার না দেখালেই নয়।